
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক यুবদলীনের বিরুদ্ধে গীড়ে উঠা একটি গুছপাকड़ অভিযোগের মাঝে পুলিশ নবমোদর লিখিত আবেদন filed করা হয়। শিকায়তকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, যিনি গাজীপুর জেলা যুবদলির সদস্য ও শ্রীপুর পৌর যুবদলীর সচিব, তাদের দাম্পত্য জীবনকে ১২ বছর ধরে ন্যায্য করেছে। আলমগীরের মতে, ২০ অক্টোবরের তার লিখিত শিকায়তে তিনি ও তার স্ত্রী পাঁচ বছর ধরে শ্রীপুর থানার ভিমটেক্স গার্মেন্টসের পাশে আবু তাহের প্রধানের বাড়িতে থাকতেন। কর্মসূত্রে তিনি কমান সময় বাড়িতে থাকতে হবে বলে নিলাম, তখনও বাড়ির মালিক তাঁর স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ শুরু করেন। তারপর আর্থিক সুবিধা, বীয়ের প্রলোভন ও বিভিন্ন সুবিধার আশ্বাস দিয়ে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন, allegationsের মতে।
আলমগীরের অনুযায়ী, আবু তাহের রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন, ও তার স্ত্রীকে স্বামী থেকে দূর করার চেষ্টা করতেন। এছাড়াও, তিনি হত্যা করার পরিকল্পনা ও শরীরটি রাস্তার কাঁটাে সরিয়ে ফেলার কথাও উল্লেখ করে।
তথ্য সংগ্রহ করে দেখলে, আলমগীর ও তার পরিবার ১২ বছরের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যাসন্তান রইল। অভিযোগের মানসিক ও পারিবারিক সংকটে পড়ার পর, তিনি নিরাপত্তাconcernের কারণে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে, he claimed।
সামাজিক মিডিয়াে প্রকাশিত একটি অডিও রেকর্ড ও কয়েক বার্তা ছড়িয়ে পড়া হয়েছে। অডিওতে আবু তাহের কে আলমগীরের দিকে বলা হয়, “আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎকৃত কথা বলতে চাই। আমার ভুল হয়েছে, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন। আপনার জন্য আমি কী করতে পারি? আপনি ক্ষমা না করলে আমার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় নেই।”
মসৃজি, তাদের মধ্যে আদান-প্রদান হয়া বিভিন্ন বার্তায় “তোমার পাশে থাকব সবসময়”, “তুমি কোনো টেনশন করবা না”, “বাসায় আসব” ইত্যাদি কথাগুলো পড়া হয়েছে।
বিরুদ্ধপাশে, আবু তাহের প্রধান者ের মতে এই সব কথা তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি শৃইপুর থানার ওসির সঙ্গে কথা বলতে বললেন, “আমার সঙ্গে কোনো কথা নেই, আপনার যদি কিছু জানতে চান তবে শুধু থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করুন।”
গাজীপুর জেলা যুবদলীর আহ্বায়ক আতাউর রহমান মোল্লা বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলির দাখিল করা এই অভিযোগের কপি তাদের হাতে রয়েছে, তবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীয় কাজের কারণে সে সমন্বয় করতে পারনি। মোল্লা মতে, যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া হয় তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এতক্ষণ পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত শেষ না হওয়ার কারণে অভিযোগের সত্যি ও নিরাপত্তা বিষয়ে সঠিক তথ্য এসাকি দেখা হচ্ছে না।
