
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দাম্পুৰ্ণ সমালোচনা দিয়ে ফেসবুক লাইভে রাশেদ খানের কপি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় টিপ্পণি দিলেন। পাটওয়ারীের মতে, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান যদি কোনো সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে সম্মান না করে তার কপি ছিঁড়ে ফেলার কাজ করেন, তবে এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল্যবোধের বিরুদ্ধে একটি অশাস্তি‑জনক কাজের উদাহরণ।
পাটওয়ারী বলেছেন, কোনো সংবাদপত্রের প্রতিবেদন যদি কোনো ব্যক্তির পছন্দে না হয়, তবে সে ব্যক্তিরা কোনো সংবাদপত্রের বিরোধী দাবি করতে, তথ্য‑প্রমাণ দিয়ে তা খণ্ডন করতে, প্রতিবাদলিপি পাঠানো বা দয়ৌত্যয় আইনের মাধ্যমে recours নেওয়ার অধিকার রাখে। তিনি এছাড়াও বললেন, সরকারি দায়িত্ববাহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও সংযম, পরিশীলিত আচরণ ও গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণের আশা করা উচিত, আর কোনো সংবাদমাধ্যমের ওপরোয়া বা বিরোধীতাবাদের স্বাধীনতা বজায় রাখা দরকার।
পাটওয়ারীের মতে, সংবাদমাধ্যম সরকারের বিরোধী কোনো ভূমিকা পালন করছে না; বরং সরকারও সংবাদমাধ্যমকে সমর্থন করতে ও তার সীমা নির্ধারণ করতে পারি। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে, তাই সরকারও সমালোচনা গ্রহণ করার সক্ষমতা নিয়ে দাঁড়ি রাখতে হবে। তিনি জোর দিয়েছেন যে, জাতীয় শক্তি কোনো কপি ছিঁড়ে ফেলার মধ্যে নয়; বরং সংবাদপত্রে প্রকাশিত সমালোচনার জন্য তথ্য, যুক্তি ও সত্য দিয়ে সঠিকভাবে উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা ہی vero শক্তি।
এই আলোচনার পটভূমি, রাশেদ খান যদি কোনো সংবাদপত্রের কপি ছিঁঙ্খুনি করেছে, তা আধুনিক রাজনৈতিক আচরণের উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, আর পাটওয়ারীের মত মতামতগুলো গণতন্ত্রিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতাৰ অৱস্থা তুলে ধরে।
