
কুমিল্লা সেক্টরের সীমান্ত এলাকাগুলোতে ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পা রেখেছে। এই সীমান্ত এলাকাগুলো ৩২৭ কিলোমিটার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত এবং ১৪টি সীমান্তবর্তী উপজেলার ভেতরে বসবাস করে। সেক্টরের আওতাধীন ১৪টি সীমান্তবর্তী উপজেলায় ৪টি ব্যাটালিয়নের প্রা৷ দুই থেকে আড়াই হাজার বিজিবি সদস্য সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। এছাড়া স্থাপন করা হয়েছে ৬৫টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) এবং ৬টি বেস ক্যাম্প। মোট দায়িত্বপূর্ণ বিভাগের ক্ষমতা ৩১ প্লাটুন এবং ৩৯ প্লাটুন বিজিবি এমনভাবে স্থাপিত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিজিবি সমগ্র ক্ষেত্রটি সুরক্ষিত রাখছে।
সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রকিবুল হাসান বিজিবি-কে আলোচনা করে বলেছেন, পূজার সূচনায় ব্রাহ্মণবারিয়ার একটি মন্দিরে কিছু সামগ্রী হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনার বিস্তার সংক্রান্ত পুলিশের কার্যক্রম চলমান এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকছেন।
বিজিবির কর্মকর্তারা একবার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চৌদ্দগ্রাম বাজারের সার্বজনীন কালীমন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেছেন। পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই প্রসংগিতে সার্বজনীন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের অভ্যাস রয়েছে। বিজিবি কোম্পানি আরও বলেছে যে বিভিন্ন ধরনের ফল বিতরণ করে পূজার পরবর্তীতে করবে। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হলো যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা এবং পূজার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ব নিরাপত্তা বাহিনী নিচ্ছে।
শেষ পর্যায়, বিজিবি কুমিল্লা সেক্টরের ১০ বিজিবি অধিনায়ক মীর আলী এজাজসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রসঙ্গে বলেছেন যে বিজিবি এখনো নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছে এবং প্রস্তুত থাকছে।
